বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫

iPhone

One of the first week of 30 million iPhone sales, Apple has created a new record. 6 6 S and S Plus their new iPhone model in the consumer IT website said the craze ok.
The furor over the iPhone is not new. Last year, the iPhone was sold 6 million iPhone's in one week. 013 was the number of 90 million.
With speculation about the possibility of new iPhone buyers are very well taken, but the 6-S and S-Plus 6. 30 million in sales of smartphones in one place, a number, any number. Simply put, by the first week after the release of the new iPhone has sold three of the iPhone per minute, which means that 50 seconds!
However, certain countries have been released in the first week of the iPhone. October 9, more than 40 countries to date, Apple's new iPhone will be released. Europe and Asia, most countries have not yet released the iPhone. Apple announced that the iPhone will be available in 130 countries this year, a total of 6 S.
Apple CEO Tim Cook said in a statement, "the customer response to the new iPhone is really incredible. D Touch and live photos taken with the features of joy. October 40 in the country to bring to market the new iPhone can not wait for us! "
The record featured on the cover of the role he played in a D touch her. That being said, this is by changing the definitions D charts using the iPhone. The improved camera, consumers are attracted to powerful chips.

নতুন আইফোন বিক্রিতে রেকর্ড

প্রথম সপ্তাহে এক কোটি ৩০ লাখ আইফোন বিক্রি করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করল অ্যাপল। তাদের নতুন আইফোন মডেল ৬ এস এবং ৬ এস প্লাস দিয়ে ক্রেতার মধ্যে বেশ সাড়া জাগিয়েছে বলে জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ।
আইফোন নিয়ে উন্মাদনা অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগে গত বছর আইফোন ৬-এর ক্ষেত্রে এক সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল প্রায় এক কোটি আইফোন। ২০১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৯০ লাখ। নতুন আইফোন নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনার সঙ্গে আশঙ্কা থাকলেও বেশ ভালোভাবেই ক্রেতারা গ্রহণ করেছে ৬ এস এবং ৬ এস প্লাসকে। এক কোটি ৩০ লাখ সংখ্যাটি যেকোনো স্মার্টফোনের বিক্রির ক্ষেত্রে সুখকর একটি সংখ্যা। সহজ করে বললে নতুন আইফোন মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম সপ্তাহে প্রতি মিনিটে বিক্রি হয়েছে তিন হাজার আইফোন, মানে সেকেন্ডে ৫০টি করে!
তবে প্রথম সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশেই মুক্তি পেয়েছে আইফোন। অক্টোবরের ৯ তারিখ থেকে আরো ৪০টি দেশে অ্যাপল তাদের নতুন আইফোন বাজারজাত করবে। ইউরোপ ও এশিয়ার বেশির ভাগ দেশেই এখনো মুক্তি পায়নি আইফোন। অ্যাপল ঘোষণা দিয়েছে, এ বছরের মধ্যে সর্বমোট ১৩০টি দেশে পাওয়া যাবে আইফোন ৬ এস। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘নতুন আইফোন নিয়ে ক্রেতার প্রতিক্রিয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য। থ্রিডি টাচ ও লাইভ ফটোর মতো ফিচারকে তারা আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। নতুন ৪০টি দেশে আগামী অক্টোবরে আইফোন বাজারে আনার জন্য আমাদের তর সইছে না!’  আইফোনের এই রেকর্ড বিক্রির জন্য সে কয়েকটি ফিচার সহায়ক ভূমিকা রেখেছে, তার একটি থ্রিডি টাচ। বলা হচ্ছে, এই থ্রিডি চাট আইফোন ব্যবহারের সংজ্ঞাই পরিবর্তন করে দিচ্ছে। অন্যদিকে উন্নত ক্যামেরা, শক্তিশালী চিপ আকৃষ্ট করছে ক্রেতাদের।

Income or remove unwanted hair is to shave the beard.

Income or remove unwanted hair is to shave the beard. The most common use of the razor. Safety razor or whatever special razor to shave a bit of trouble to read. Due to sharp cuts or skin to shave rejare jbaluni normal. If it were not part of any of the blades or sharp rejare who would not have a problem. What is the Razr? The US said such a razor impossible technicians. "Scratch razor called rejare laser beam blades will work.
The organization of Technology Scratch 'Scratch Razr, for the creation of research. There is no difference in the structure of the market with the Razr. Blede only difference. Rejare where the sharp blades of the 'Scratch the laser beam at rejara. No hair can be cut from the deep. Increasing the number of companies making razor blades while the product of the laser-based rejare not have any bledai. This is a campaign to increase the number of institutions with razor-smooth shave razor blades may become upahase. In addition, the use of conventional razor scratching the body, the rise of ksatasaha problems. "Scratch razor" None of these problems will not be in use. Because Scratch razor 'to shave the soap or foam will not have any trouble laganorao. Another would not even need that.
"Scratch rejara's working methods, the researchers said, given the length of the laser cut black hair. Brown hair cut a few years, the study identifies a laser beam. Thus, doing research on the laser wavelength, based on the Razr.
"Scratch razor's researcher Morgan traded gustabhasana and Paul said, little or panichara shave their rejare so smooth that it will surprise many. They said at least two million Americans every year due to reduced borrowing blades razor or razor blades cast. The razor made of metal or plastic is harmful to the environment. The 'Scratch Razr once was purchasing. Blade sharpening the blades of a comma or a change will not have any trouble was.
"Scratch Razr 'campaign from September 1 for the funding of research and Paul Morgan gustabhasana traded. It has responded. Within two days of the 60 million US dollars have been invested. 10 million US dollars for research costs money.
.
The most common use of the razor. Safety razor or whatever special razor to shave a bit of trouble to read. Due to sharp cuts or skin to shave rejare jbaluni normal. If it were not part of any of the blades or sharp rejare who would not have a problem. What is the Razr? The US said such a razor impossible technicians. "Scratch razor called rejare laser beam blades will work.
The organization of Technology Scratch 'Scratch Razr, for the creation of research. There is no difference in the structure of the market with the Razr. Blede only difference. Rejare where the sharp blades of the 'Scratch the laser beam at rejara. No hair can be cut from the deep. Increasing the number of companies making razor blades while the product of the laser-based rejare not have any bledai. This is a campaign to increase the number of institutions with razor-smooth shave razor blades may become upahase. In addition, the use of conventional razor scratching the body, the rise of ksatasaha problems. "Scratch razor" None of these problems will not be in use. Because Scratch razor 'to shave the soap or foam will not have any trouble laganorao. Another would not even need that.
"Scratch rejara's working methods, the researchers said, given the length of the laser cut black hair. Brown hair cut a few years, the study identifies a laser beam. Thus, doing research on the laser wavelength, based on the Razr.
"Scratch razor's researcher Morgan traded gustabhasana and Paul said, little or panichara shave their rejare so smooth that it will surprise many. They said at least two million Americans every year due to reduced borrowing blades razor or razor blades cast. The razor made of metal or plastic is harmful to the environment. The 'Scratch Razr once was purchasing. Blade sharpening the blades of a comma or a change will not have any trouble was.
"Scratch Razr 'campaign from September 1 for the funding of research and Paul Morgan gustabhasana traded. It has responded. Within two days of the 60 million US dollars have been invested. 10 million US dollars for research costs money.

ব্লেড ছাড়াই শেভ!

দাড়ি কামাতে বা অবাঞ্ছিত লোম সরাতে শেভ করতে হয়। এ কাজে রেজরের ব্যবহার সর্বাধিক প্রচলিত। সেফটি রেজর বা বিশেষ রেজর যাই হোক না কেন শেভ করতে কিছুটা সমস্যায় পড়তেই হয়। ধারালো হওয়ার কারণে রেজরে শেভ করার সময় কেটে যাওয়া বা ত্বকে জ্বলুনি স্বাভাবিক বিষয়। রেজরে যদি ব্লেড বা ধারালো কোনো অংশ না থাকত তবে এমন সমস্যা থাকত না। এমন রেজর কী সম্ভব? এমনই অসম্ভব রেজরের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিদরা। ‘স্ক্রাচ রেজর’ নামক রেজরে ব্লেডের কাজ করবে লেজার রশ্মি।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ক্রাচ টেকনোলজি নামক প্রতিষ্ঠান ‘স্ক্রাচ রেজর’ তৈরির জন্য গবেষণা করছে। বাজারের প্রচলিত রেজরের সঙ্গে এর গঠনগত তেমন কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্যটা শুধুই ব্লেডে। প্রচলিত রেজরে যেখানে ধারালো ব্লেড সেখানে ‘স্ক্রাচ রেজর’-এ থাকবে লেজার রশ্মি। এর মাধ্যমে কোনো লোমের গভীর থেকে কাটা যাবে। বিভিন্ন রেজর তৈরির প্রতিষ্ঠান যখন নিজেদের পণ্যে ব্লেডের সংখ্যা বাড়াচ্ছে তখন লেজার ভিত্তিক রেজরে কোনো ব্লেডই থাকবে না। ব্লেডের সংখ্যা বাড়ানোর মানে মসৃন শেভ—প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন প্রচারণাকে উপহাসে পরিণত করতে পারে ব্লেডহীন রেজর। এ ছাড়া প্রচলিত রেজর ব্যবহারে শরীর চুলকানো, গোটা ওঠা, ক্ষতসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। ‘স্ক্রাচ রেজর’ ব্যবহারে এসব সমস্যার কোনোটিই হবে না। কারণ ‘স্ক্রাচ রেজর’ শেভ করতে মুখে সাবান বা ফোম লাগানোরও কোনো ঝামেলা থাকবে না। এমনকি পানিরও তেমন প্রয়োজন পড়বে না। ‘স্ক্রাচ রেজর’-এর কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে গবেষকরা বলেন, নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের লেজার রশ্মি কালো রঙের লোম কেটে ফেলে। কয়েক বছরের গবেষণায় বাদামি রঙের চুলও কেটে ফেলে এমন লেজার রশ্মি চিহ্নিত করা হয়। এভাবে লেজারের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর ভিত্তি করে রেজর তৈরি গবেষণা করছেন।
‘স্ক্রাচ রেজর’ এর গবেষক মর্গান গুস্তাভসন ও পল বিনুন বলেন, সামান্য বা পানিছাড়া তাদের রেজরে শেভ এতটাই মসৃন হবে যে, তা অনেককেই বিস্মিত করবে। তাঁরা আরো বলেন, ব্লেড ধার কমে যাওয়ার কারণে প্রতিবছর মার্কিনীরা অন্তত দুই কোটি রেজর বা রেজরের ব্লেড ফেলে দেয়। ধাতু বা প্লাস্টিকে তৈরি এসব রেজর পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সেখানে ‘স্ক্রাচ রেজর’ একবার কিনলেই হলো। ব্লেডের ধার কমা বা ব্লেড পরিবর্তনের কোনো ঝামেলাই থাকবে না। ‘স্ক্রাচ রেজর’ তৈরির গবেষণায় অর্থায়নের জন্য ২১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন মর্গান গুস্তাভসন ও পল বিনুন। এটি বেশ সাড়া ফেলেছে। দুই দিনের মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পাওয়া গেছে। গবেষণার জন্য অর্থ লাগবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার।

Facebook is going to be more lively

Facebook is going to be more lively! This is the world's most popular media on Wednesday reported users' profiles and what they are going to add a new feature video profiles. From now on, instead of the static image of Facebook users will be able to upload a video of 7 seconds. According to technology website reported on myasebala.
However, all this in the first place will not be able to enjoy the new feature. This facility is the first to be exposed only to California for iPhone users. Then slowly the world is expected to reach it. Facebook is a private matter of an ID profile. So his personality alive and well highlight this feature will come in quite handy.
However, the video will continue not always visible. If you just go into the profile page that will loop the video. Or did you get yourself in someone else's profile to the profile can be viewed by clicking on the video. Niujaphide status, or any other place on the video can be seen on a smaller scale. Just listening to the audio with the video by clicking the video on the full-view mode. Just get in the profile can be seen on video, but no sound can not be found.
A few days ago, Facebook announced the "temporary profile picture, saying that the feature for certain days or hours will be given to any particular profile picture. When the appointed time would return to the old profile picture. However, the timeline is expected after the videos uploaded are going to be the biggest change to the Facebook profile!
In addition, the seven-minute feature-length selaphi recorded on video to be uploaded. But now there is no obstacle in the form of video uploads. Crop video uploaded to Facebook Facebook profiles square itself was set in place.
And it will feature the profiles, to reach a tutorial on the account will be given, so that the use of video profiles of all the rules.

ফেসবুক প্রোফাইলে দিতে পারবেন ভিডিও

ফেসবুক হতে যাচ্ছে আরো জীবন্ত! বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই যোগাযোগ মাধ্যম বুধবার জানাল ব্যবহারকারীদের প্রোফাইলে তারা নতুন একটি ফিচার যোগ করতে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রোফাইল ভিডিও। এর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা স্থির চিত্রের বদলে এখন থেকে আপলোড করতে পারবে ৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে এ খবর।
তবে প্রথমেই সবাই এই অভিনব ফিচারটি উপভোগ করতে পারবেন না। প্রথমদিন এই সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হচ্ছে শুধু ক্যালিফোর্নিয়ার আইফোন ইউজারদের জন্য। এরপর আস্তে আস্তে সারা বিশ্বে এটি পৌঁছানো শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফেসবুক বলছে কোনো আইডির প্রোফাইল একটি একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে আরো জীবন্ত ও সুন্দরভাবে তুলে ধরতে এই ফিচার বেশ উপকারে আসবে। তবে সবসময় প্রোফাইল ভিডিও চলতে থাকবে না। ভিডিও লুপ করবে শুধু যদি প্রোফাইল পেজে ঢোকা হয় তাহলে। অর্থাৎ নিজের প্রোফাইলে ঢুকলে কিংবা অন্য কারো প্রোফাইলে ক্লিক করলে ভিডিওটি দেখা যাবে। নিউজফিডে স্ট্যাটাসের পাশে কিংবা অন্য কোনো জায়গায় ছোট আকারে ভিডিও দেখা যাবে না। এ ছাড়া ভিডিওর সাথে অডিও শোনা যাবে শুধু ভিডিওতে ক্লিক করে ফুল-ভিউ মোড অন করা হলে। প্রোফাইলে ঢুকলে শুধু ভিডিও চলতে দেখা যাবে,তবে কোনো আওয়াজ পাওয়া যাবে না।
কিছুদিন আগে ফেসবুক ঘোষণা করেছিল ‘সাময়িক প্রোফাইল পিকচারের’ কথা, যে ফিচারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু দিন বা ঘণ্টার জন্য কোনো বিশেষ প্রোফাইল পিকচার দেওয়া যাবে। নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে এলে পুরনো প্রোফাইল পিকচার আবার ফিরে আসবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে টাইমলাইন আসার পর প্রোফাইল ভিডিওই হতে যাচ্ছে ফেসবুক প্রোফাইলে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন! এ ছাড়া ফিচারটির মাধ্যমে সাত মিনিট দৈর্ঘ্যের সেলফি ভিডিও ধারণ করে তা আপলোড করা যাবে। তবে এখন ভিডিও আপলোডের জন্য আকারে কোনো বাধা নেই। আপলোড করা ভিডিও ফেসবুক নিজে থেকেই বর্গাকারে ক্রপ করে ফেসবুক প্রোফাইলের জায়গায় সেট করে নেয়। আর ফিচারটি যার প্রোফাইলে পৌঁছাবে, পৌঁছানোর সাথে সাথে তার অ্যাকাউন্টের ওপর একটি টিউটোরিয়াল দিয়ে দেওয়া হবে, যাতে থাকবে প্রোফাইল ভিডিও ব্যবহার করার সব নিয়মাবলি।

Google's online app store

Google's online app store, Google ple's book is written in a new record. Google said the official, more than 100 million active users per month dhu beating Google plete. IT website said in a report myasebala.
Nexus event in San Francisco on Tuesday, Google chief executive beautiful picai expressed to the media that their success. Google Play with the various published data.
Earlier this year, ayapaphigara "the research firm said in a report, the number of apps from the Google their strongest rival Apple's iOS App stora who has lost. This moves the Play Store app store in the world in the first place.
014 is seen at the end of the App store for free at that time was 14 million. This number more than 1 million of the Apple App Store. In third place is the Amazon App Store App lakh 93 thousand.
According to the report, was to use the 014-stores increased by 50 per cent at the end of the application. On the other hand, with the number of app developers, Google is ahead in terms of numbers. Google Play Store for App developers to create about four million are involved. There are about three million in the case of the App Store.

প্রতি মাসে গুগল প্লে-তে ১০০ কোটি ব্যবহারকারী

গুগলের অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন স্টোর ‘গুগল প্লে’-এর খাতায় এবার নতুন একটি রেকর্ড লেখা হলো। গুগল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, প্রতি মাসে ১০০ কোটির বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী ঢু মারছে ‘গুগল প্লে’তে। তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
গত মঙ্গলবার সান ফ্রান্সিসকোতে নেক্সাস ইভেন্টে গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই তাদের এই সাফল্যের কথা গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেন। সাথে সাথে গুগল প্লের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তিনি প্রকাশ করেন। এ বছরের শুরুর দিকে ‘অ্যাপফিগার’ নামের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, অ্যাপের সংখ্যার দিক থেকে গুগল তাদের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলের ‘আইওএস অ্যাপ স্টোর’-কে হারিয়ে দিয়েছে। এর ফলে অ্যাপ্লিকেশন স্টোর দুনিয়ায় প্রথম স্থানে চলে আসে প্লে স্টোর।
২০১৪ সালের শেষে এসে দেখা গেছে প্লে স্টোরে সে সময় পর্যন্ত ১৪ লাখেরও বেশি অ্যাপ ছিল। অন্যদিকে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে এই সংখ্যাটি ১২ লাখের কিছু বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যামাজনের অ্যাপ্লিকেশন স্টোরে আছে দুই লাখ ৯৩ হাজার অ্যাপ। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের শেষে এসে অ্যাপ্লিকেশন স্টোরগুলোর ব্যবহার বেড়েছিল ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। অপরদিকে অ্যাপ সংখ্যার সাথে সাথে ডেভেলপারের সংখ্যার দিক থেকেও গুগল এগিয়ে যায়। গুগল প্লে স্টোরের জন্য অ্যাপ নির্মাণের কাজে জড়িত আছে প্রায় চার লাখ ডেভেলপার। অ্যাপ স্টোরের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা প্রায় তিন লাখ।

Zahir Raihan

Zahir Raihan was one of the most talented film makers in Bangladesh.He was born on 19 August.1935 in the village Majupur in feni districk.He was an active worker of the Language Movent.He was one of the ten student to go out in a procession on 21 Febuary 1952 despite a ban on such activitis.As a result,he and many others were arrested and taken to prison.Zahir was also present at the historical meeting of amtala on Febuary 21.1952.He also took part in the mass movement in 1969.In 1971,.he joined the Liberation War.

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ফেসবুকে ফোন নম্বর লুকিয়ে রাখুন

বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে ফোন নম্বর যোগ করতে বরাবরই উৎসাহ দিয়ে আসছে। নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা বা দ্বিগুণ নিরাপত্তার খাতিরে নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার করলেও কিছু ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে। কেউ যদি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের ফোন নম্বর দিয়ে থাকেন এবং প্রয়োজনীয় সেটিংস পরিবর্তন না করেন, তাহলে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য যে কেউ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি এটি কার ফোন নম্বর, সেটি জানা না থাকলেও হবে, শুধু নম্বরটি দিয়ে ফেসবুকসহ গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান চালালে ফলাফল হিসেবে নিজের অনেক তথ্যই প্রকাশিত হয়ে যেতে পারে। এ জন্য ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তার স্বার্থে ফোন নম্বর ব্যবহার করলেও একই সঙ্গে দ্রুত সেটা লুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা উচিত।
বাংলাদেশে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল অপারেটরের দুটি সিম ব্যবহার করে থাকেন। সবচেয়ে ভালো হয় কম পরিচিত বা নতুন কোনো নম্বর, যেটা সাধারণত কম ব্যবহার করা হয়, সেটাই নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা। কোনোভাবে সিম ক্লোন হলে বা কেউ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সিম উঠিয়ে ফেললে, ফেসবুকসহ অন্যান্য অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা একেবারেই সহজ। এ জন্য কোনো রকম হ্যাকিং জানারও প্রয়োজন পড়বে না। ফেসবুকে যখন নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয় বা ফোন থেকে যখন কোনো ছবি বা ভিডিও আপলোড করা হয়, তাহলে ফেসবুক নিজের ফোন নম্বর যোগ করতে বলে। আবার দুই স্তরের নিরাপত্তা চালু করলেও ফোন নম্বর দিতে হয়। নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন না করলে, যে কেউ ফোন নম্বর লিখে অনুসন্ধান চালালে কিছু তথ্য এমনিতেই পাওয়া যায়, যেমন নিজের প্রোফাইলের ছবি, নাম, পেশা ও অবস্থান ইত্যাদি।
ফেসবুকে নিজের ফোন নম্বর লুকিয়ে রাখতে চাইলে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে ওপরে নীল বারের ডান পাশে থাকা নিচের দিকে তির চিহ্নিত আইকনে ক্লিক করুন। সেখান থেকে সেটিংস অপশনে ক্লিক করলে জেনারেল সেটিংস অপশন আসবে। এবার বাঁয়ের মেনু থেকে প্রাইভেসি অপশনে ক্লিক করার পর ডানের Who can look me up? অংশ থেকে Who can look you up using the phone number you provided? অপশনটিতে ক্লিক করুন বা ডানের এডিট লিংকে ক্লিক করুন। নিচের ড্রপ ডাউন মেনু থেকে ফ্রেন্ডস বা প্রয়োজনীয় অপশনটি নির্বাচন করে দিন। এর নিচেই আরেকটি প্রাইভেসি অপশন রয়েছে। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে যুক্ত হবে কি না, সেটা জানতে চাওয়া হবে। এখনেও এডিট লিংকে ক্লিক করে Let other search engines link to your timeline অপশন থেকে টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন। নিজের ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে কেউ খুঁজতে চাইলে সেটাও পরিবর্তন করে দেওয়া যাবে একইভাবে।

বজরঙ্গির ‘বন্ধু’ চান্দ নবাব লাঞ্ছিত!

ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া বলিউডের ছবি ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ নিয়ে আলোচনা এখনো থামেনি। নানা কারণেই খবরের শিরোনামে উঠে আসছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ এবং এ ছবির চরিত্রগুলো। সম্প্রতি ছবিতে ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর সাংবাদিক বন্ধু ‘চান্দ নবাব’ (যিনি বাস্তবেও একজন পাকিস্তানি সাংবাদিক) মার খেয়েছেন সে দেশের পুলিশের হাতে।
ঈদের আগে পাকিস্তানে রেল টিকিটের কালোবাজারি নিয়ে প্রতিবেদন করতে গেলে রেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হন পাকিস্তানের এই সাংবাদিক। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবির ‘চান্দ নবাব’ চরিত্রটি ছবি মুক্তির আগে থেকেই বেশ আলোচিত হয়ে ওঠে বলিউডের ভক্ত-দর্শকদের মধ্যে।
পর্দায় ‘চান্দ নবাব’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। নওয়াজউদ্দিনের এই চরিত্রটি পাকিস্তানের ‘নাইনটি টু নিউজ চ্যানেল’-এর জেলা প্রতিনিধি চান্দ নবাবের বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। চান্দ নবাবের বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদন ইউটিউবেও বেশ সাড়া ফেলেছিল। এর পরপরই চান্দ নবাব নজরে পড়েন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবির পরিচালক কবির খানের।পাকিস্তানি সাংবাদিক চান্দ নবাবকে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য
একটি পাকিস্তানি টিভি চ্যানেলের খবরে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহা সামনে রেখে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করতে করাচি রেলওয়ে স্টেশনে যান সাংবাদিক চান্দ নবাব। আর সে সময়েই রেল টিকিট কালোবাজারির ভিডিওচিত্র ধারণ করার কারণে রেল কর্তৃপক্ষের রোষের শিকার হন তিনি। চান্দ নবাবকে লাঞ্ছিত করার মুহূর্তটি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। পরে তা টুইটারে প্রকাশিত হলে শুরু হয় পাকিস্তানি পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ।
এদিকে, চান্দ নবাব যে টিভি চ্যানেলটিতে কাজ করেন সেই টিভি চ্যানেলটি জানিয়েছে, চান্দকে লাঞ্ছিত করার ভিডিওচিত্রটি নাকি পাকিস্তান সরকারেরও নজরে পড়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

অক্ষয়ের দুঃখ!

‘হেরা ফেরি’, ‘ওয়েলকাম’, ‘সিং ইজ কিং’ এর মতো জনপ্রিয় কমেডি চলচ্চিত্র যার ঝুলিতে। যে অভিনেতা কমেডি ছবিতে বরাবরই দর্শক মাত করেছেন বলিউডের সেই অভিনেতা অক্ষয় কুমারই কিনা বলছেন কৌতুক অভিনেতারা চলচ্চিত্রে তাঁদের প্রাপ্য পান না! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎ​কারে এ অভিনেতা এমনটিই জানিয়েছেন।
অক্ষয় কুমার জানিয়েছেন, মজার চরিত্রে অভিনয় করতে তিনি খুব ভালোবাসেন। তিনি মনে করেন, পর্দায় এমন চরিত্র ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন ব্যাপার, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় এই যে— প্রেম বা বিরহের ছবিতে অভিনয় না করা পর্যন্ত মিডিয়াতে পরিচিতি পাওয়া যায় না।
‘চরিত্রের প্রয়োজনে লোক হাসালে মানুষ তাকে ‘ভাঁড়ামি’ হিসেবেই গণ্য করে, এটি খুবই ‘দুঃখজনক’ সাক্ষাৎ​কারে এমনটিই বলেছেন এই ‘খিলাড়ি’ অভিনেতা।
একসময় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা নায়ক অমিতাভ বচ্চনও বলিউডের অনেক ছবিতেই কমেডি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিশোর কুমারের মতো প্রতিভাবানও কৌতুক অভিনেতা হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন। অক্ষয় কুমারও তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন বলেই জানিয়েছেন।
ইদানীং টিভি ও চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনেতাদের অনেক কাজ পেতে দেখে বেজায় খুশি অক্ষয়। বিজ্ঞাপনেও আজকাল কমেডি নিয়ে কাজ হচ্ছে বলে আনন্দিত তিনি। মিড-ডে।

ভুয়া ফেসবুক পোস্টে চটেছেন সালমান!

ভুয়া অ্যাকাউন্টের আপত্তিকর পোস্টের কারণে প্রায়ই বিব্রত হতে হয় বলিউডের তারকাদের। সম্প্রতি বলিউডের তারকা অভিনেতা সালমান খান তাঁর নামের একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টের কারণে রীতিমতো ক্ষেপে গেছেন। ‘মাথা গরম’ লোক হিসেবে আগে থেকেই যথেষ্ট পরিচিতি আছে তাঁর, আর এবারের ঘটনাটি মাথা গরম হওয়ার মতোই বটে!
বলিউডের বেশির ভাগ তারকাই এখন নিজস্ব ফেসবুক ও টুইটারের অ্যাকাউন্ট থেকে ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তবে বিপত্তিটা হচ্ছে— একজন তারকার নামে যেখানে কেবল একটিই অ্যাকাউন্ট থাকার কথা; সেখানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে একই নামে একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে আছে। বলাই বাহুল্য, এর বেশির ভাগই ‘ফেইক’ বা ভুয়া।
সম্প্রতি কেউ একজন ‘সালমান খান’ নামে একটি নকল ফেসবুক পেজ খুলে তাতে পোস্ট করেছেন— ‘নতুন একটি ছবিতে অভিনয় করছেন সালমান’। এই পোস্টটি নজরে আসার পর সালমান খান তাঁর নিজস্ব টুইটারে টুইট করেছেন— ‘ফেসবুকের একটি ফেইক অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হয়েছে যে, নতুন একটি ছবিতে আমি অভিনয় করতে যাচ্ছি। নকল এবং গুজব হতে সাবধান। আমি বা আমার ম্যানেজার কেউই কোনো নতুন প্রকল্পে কাজ করার কথা বলিনি।’
আরেক টুইটে সালমান লিখেছেন, ‘কিছু মানুষ আমার সঙ্গে এসে ছবি তোলে এবং পরে তার অপব্যবহার করে। এটা একদম ঠিক নয়।’
তাঁর ভক্তদের এসব ভুয়া অ্যাকাউন্টের বক্তব্য দেখে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য​ও অনুরোধ করেছেন সালমান। বর্তমানে রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’-এর (সিজন-৯‍) উপস্থাপনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সালমান। ১১ অক্টোবর থেকে এটি প্রচারিত হবে। আর সালমানের ছবির ভক্ত-দর্শকেরা ‘প্রেম রতন ধ্যান পায়ো’ ছবিতে তাঁদের প্রিয় এ অভিনেতাকে দেখতে পাবেন। চলতি বছরের নভেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা আছে ‘প্রেম রতন ধ্যান পায়ো’ ছবিটির।

সন্তানেরাই শাহরুখের ভালোবাসার গুরু

     
শাহরুখ খানরোমান্স দিয়েই বলিউড জয় করেছেন শাহরুখ খান। কিন্তু তিনি অবলীলায় স্বীকার করলেন ‘সত্যিকার ভালোবাসা’র অর্থ তিনি জেনেছেন সন্তানদের কাছ থেকে।
সন্তানদের কারণেই শাহরুখ উপলব্ধি করেছেন, ‘সত্যিকার ভালোবাসা’র মানে বদ্ধ করে রাখা নয়, নিজের মতো বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেওয়া।
শাহরুখ আর গৌরির বিয়ে হয়েছে ১৯৯১ সালে। আরিয়ান, সুহানা আর আব্রাম তাঁদের সন্তান। শাহরুখ তাঁর টুইটবার্তায় বলেছেন, নিজের মতো বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিলে সন্তানেরা সুখী হয়, এম​নকি আমি কাছে না থাকলেও। আর একেই বলে সত্যিকার ভালোবাসা।
শাহরুখ খানকে বলিউডের বাদশা নামে ডাকা হয়। তিনি সবসময়ই তাঁর পারিবারিক জীবনের কথা ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত শেয়ার করে থাকেন। বর্তমানে শাহরুখ রোহিত শেঠির ‘দিলওয়ালে’ ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। এ ছবিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন কাজল। 

৯ মিনিটে ৫ গোল!

ডাগ আউটেই বসেছিলেন। পেশির চোটের কারণে উলফসবার্গের বিপক্ষে বায়ার্নের প্রথম একাদশে ছিলেন না রবার্ট লেভোনডোফস্কি। কিন্তু দলের বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে মাঠে নেমে কী জাদুই না দেখালেন পোল্যান্ড জাতীয় দলের এই অধিনায়ক। মাত্র নয় মিনিটের মধ্যে ৫ গোল করে গড়লেন নতুন এক ইতিহাস। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকায় বায়ার্ন মিউনিখ বুন্দেসলিগায় উলফসবার্গের বিপক্ষে পেল ৫-১ গোলের দারুণ তৃপ্তির এক জয়।
হ্যাটট্রিকটি তিনি পূরণ করেছেন মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে। তাঁর প্রথম গোলটি আসে ৫১ মিনিটে। পরের মিনিটেই (৫২) তিনি পেয়ে যান তাঁর দ্বিতীয় গোল। জোড়া গোলের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই ৫৫ মিনিটে লেভোনডোফস্কি পেয়ে যান তাঁর হ্যাটট্রিকটি। এইটুকু কীর্তিই যেখানে যথেষ্ট হতে পারত, সেখানে এই পোলিশ স্ট্রাইকার এগিয়ে গেলেন আরও বড় কীর্তির দিকেই। ৫৭ মিনিটে করলেন তাঁর চতুর্থ গোলটি। আর পঞ্চম গোল করে গোটা আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাকে বিহ্বল করে দেন তিনি ম্যাচের ৬০ মিনিটে। বায়ার্ন মিউনিখের ইতিহাসে প্রথম বদলি খেলোয়াড় হিসেবে লেভোনডোফস্কি গড়লেন এক ম্যাচে পাঁচ গোলের অনন্য এই কীর্তিগাথা।

সর্বকালের রেকর্ডটা অবশ্য অল্পের জন্য অধরাই থেকে গেছে লেভোনডোফস্কির। আর একটি গোল করলেই (ছয়টি) তিনি ছুঁয়ে ফেলতেন কোলন স্ট্রাইকার ডিয়েটার মুলারের ১৯৭৭ সালের গড়া রেকর্ডটি। আজ থেকে ৩৮ বছর আগে ভ্রেদার ব্রেমেনের বিপক্ষে কোলনের ৭-২ গোলে জেতা ম্যাচে মুলার একাই করেছিলেন ৬ গোল।

লেভোনডোফস্কির এমন কীর্তি তো এটাই প্রথম নয়! ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে এই লেভোনডোফস্কিই করেছিলেন চার-চারটি গোল। তাঁর সেই কীর্তি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

নয় মিনিটে পাঁচ গোলের এই কীর্তি যেন নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছে না লেভোনডোফস্কির। ম্যাচে শেষে সংবাদমাধ্যমকে তিনি কী বলবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছিলেন না। কোনো মতে নিজেকে সামলে নিয়ে এই অনন্য অর্জনে নিজের উচ্ছ্বাসটাই কেবল প্রকাশ করলেন, ‘ব্যাপারটা অচিন্তনীয়। কোনো দিন ভাবিনি যে এমন কিছু করতে পারব। অবিশ্বাস্য এক কাণ্ড ঘটালাম আমি। তবে আমি খুশি। আমি সন্তুষ্ট। সবচেয়ে বড় কথা আমার এই অর্জন দলকে এনে দিয়েছে দুর্দান্ত এক জয়।

ম্যাচে শেষে ঘোরের মধ্যে ছিলেন বায়ার্ন কোচ পেপ গার্দিওলাও। তিনি আসলেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না চোখের সামনে কিছুক্ষণ আগে তিনি যা দেখেছেন তা সত্যি কি না, ‘আমার চোখের সামনে এমন কিছু ঘটবে, সেটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না আমি। আমার কোচিং জীবনে এমন অনন্য ঘটনার মুখোমুখি আমি আগে কখনো হইনি। উফ্‌! নয় মিনিটে পাঁচ গোল!! তবে রবার্ট (লেভোনডোফস্কি) কিন্তু আমার দৃষ্টিতে এই দুনিয়ারই অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার।

লেভোনডোফস্কি মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করে ভেঙে দিয়েছেন ডুয়েসবার্গের মিচেল টোয়েন্নিয়েসের রেকর্ড। ১৯৯১ সালে এই টোয়েন্নিয়েস বুন্দেসলিগার এক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ছয় মিনিটের ব্যবধানে।
লেভোনডোফস্কির এই কীর্তির দিন তাঁকে অভিনন্দিত করতে ভোলেননি টোয়েন্নিয়েস নিজে, ‘রবার্ট এই রেকর্ড নিজের করে নিয়েছে, সে জন্য ওকে অভিনন্দন। আমি ২৪ বছর ধরে রেকর্ডটি দখলে রেখেছিলাম। সেই দখল হারিয়ে খারাপ যে লাগছে না সেটা বলব না। তবে আমার তৃপ্তি আমি রবার্টের মতো একজন দারুণ স্ট্রাইকারের কাছে হার মানলাম। সে যা করেছে, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’ সূত্র: রয়টার্স।

প্রচ্ছদ বিনোদন আলাপন কোনো আপস করছি না: মাহিয়া মাহি

বড় পর্দার অভিনেত্রী মাহিয়া মাহিকে সাধারণত ছোট পর্দায় দেখা যায় না। তবে এবারের ঈদে ছোট পর্দার দু-একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। ঈদের অনুষ্ঠান, ঈদের দিনের পরিকল্পনা, ছবি, পারিশ্রমিক এসব নিয়েই প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী। মাহি জানিয়েছেন, অনেক ছবিরই প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি, তবে বেশির ছবির গল্পই ভালো লাগেনি। ছবির গল্প আর সঠিক পারিশ্রমিক নিয়েও কোনো আপস করছেন না তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শফিক আল মামুন
মাহিয়া মাহি। ছবি :প্রথম আলোঈদের দিন কী করবেন বলে স্থির করে রেখেছেন?
এবার তো কোরবানির ঈদ। গরু কোরবানি দিচ্ছি। ঈদের দিন কোরবানির মাংস বাসায় আসার পর গরুর ‘কালা ভুনা’ রান্না করব। এই একটি মাত্র রান্নাই করতে পারি। এবং তা ভালো করেই পারি। এর আগে যারা আমার রান্না ‘কালা ভুনা’ খেয়েছেন তাঁরা সবাই প্রশংসা করেছেন। সন্ধ্যার পর পরিবারের সবাই মিলে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাব। কাছের বন্ধুরা সবাই ঢাকার বাইরে ঈদ করবে। তাই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাটা এবার হচ্ছে না।
ঈদে কোনো ছবি দেখবেন না?
আমি প্রতিবার ঈদের পরদিন থেকে সিনেমা দেখি। এবারও তাই-ই করব। ঈদের দ্বিতীয়দিন ‘আশিকী’ ছবিটি দেখব। পর্যায়ক্রমে ঈদের সব ছবিগুলোই দেখা হবে।
ছোট পর্দায় অংশ না নেওয়ার কারণ কী?
আসলে সারা বছর শুটিং নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে ঈদের অনুষ্ঠানমালার জন্য বিভিন্ন ধরনের সাক্ষাৎকার বা মজার কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া হয়। এবারেও তিনটি টিভি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। দেশ টিভিতে ‘সিনে স্টার’ ও মাছরাঙা টিভিতে ‘স্টার নাইট’ নামের একটি সাক্ষাৎকারমূলক অনুষ্ঠান করেছি। আর আরটিভিতে ‘নাচিয়ে’ নামের একটি একক নাচের অনুষ্ঠান করেছি। তবে টেলিভিশনে এটিই আমার প্রথম নাচের অনুষ্ঠান।
এ সব অনুষ্ঠানগুলো কেমন উপভোগ করলেন?
মাছরাঙার অনুষ্ঠানে খুবই মজা হয়েছে। এখানে উপস্থাপক ছিলেন মারিয়া নূর। অনুষ্ঠানে শাবনূর-সালমান শাহের একটি ছবির গান নিজেই গাওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু গানটির মুখটি গাওয়ার পর তা আর পারিনি। অভ্যস্ত না তো।
আর নাচের অনুষ্ঠান?
সেটিও খুবই ভালো হয়েছে। টেলিভিশনের নাচের প্রথম অভিজ্ঞতা। এখানে পাঁচটি গানের সঙ্গে নৃত্য করেছি। আমার নিজের অভিনীত ছবির তিনটি গানে আর ভারতের ও বাংলাদেশের দুটি আধুনিক গানের সঙ্গে নেচেছি। এ অনুষ্ঠানে দর্শকেরা আমাকে নতুন ভাবে দেখতে পাবেন।
‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবির শুটিং শুরু হবে কবে?
২৫ নভেম্বর থেকে শুটিং শুরু, শেষ হবে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি। শুটিং শুরুর দুদিন আগে ধুমধাম করে এ ছবির মহরত করার কথা আছে। এই ছবিটির গল্প একেবারেই আলাদা। আমাকেও এ ছবির জন্য আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।
অগ্নি-২ ছবির শুটিং শুরু থেকে মুক্তির পর পর্যন্ত প্রায় আট মাস আপনার নতুন কোনো ছবির কাজে দেখা যায়নি। এর কারণ?
ইচ্ছা করেই কোনো কাজ হাতে নিইনি। মাঝখানে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে নিজের বোঝাপড়ার একটা ঝামেলা ছিল। সবকিছু মিলিয়ে একটু সময় হাতে নিয়েই কাজ করতে চেয়েছি। তবে এ সময়ের মধ্যে প্রচুর ছবির প্রস্তাব পেয়েছি। বেশির ছবির গল্পই ভালো লাগেনি। ছবির গল্প আর আমার সঠিক পারিশ্রমিক নিয়ে কোনো আপস করছি না।
কবে থেকে নিয়মিত হবেন?
এই তো নভেম্বর থেকে দীপংকর দীপনের ‘ঢাকা অ্যাটাক’ দিয়ে কাজ শুরু করছি। এর পরপরই আমার নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্করপিয়ন ও কলকাতার পরিচালক অশোক পতির সঙ্গে মিলে যৌথ প্রযোজনায় ‘মায়ার বাঁধন’ নামে একটি ছবির কাজ শুরু করব। ছবিটি পরিচালনাও করছেন অশোক পতি। এভাবেই নিয়মিত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

কালাইয়ে কিডনি বেচাকেনার দালাল সন্দেহে আটক ২

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় অভাবী মানুষকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি বেচাকেনা ব্যবসার দালাল সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন উপজেলার বহুতি গ্রামের আবদুস সাত্তার (৪০) ও মিজানুর রহমান (২১)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অভাবী মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কিডনি বেচাকেনার ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ২০১১ সালে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
পরে ওই চক্রের অন্তত পাঁচজন আবার কিডনি বেচাকেনার ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় গতকাল প্রথম আলোয় ‘একই দালালেরা আবার কিডনি বাণিজ্যে’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর ওই দুজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, গত নয় মাসে দালালেরা কালাইয়ের তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ১৫ জন দরিদ্র নারী-পুরুষের কিডনি বিক্রি করিয়েছেন। কিডনি বিক্রেতাদের ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও ভিসা করিয়ে ভারতে নিয়ে গিয়ে কিডনি আহরণ করা হচ্ছে। ঢাকায় নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিডনি আহরণের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে আরও ১০ জনকে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রথম আলোকে জানান, পুলিশের করা মামলায় সাত্তার কারাগারে ছিলেন। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। মিজানুর ওই চক্রের নতুন সদস্য কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

বৃষ্টি হতে পারে আরও কয়েক দিন

বৃষ্টি হতে পারে আরও কয়েক দিন

বিশেষ প্রতিনিধি | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
বৃষ্টি শুরু হয়েছিল ভাদ্রের শেষে। মাঝখানে কয়েক দিনের বিরতি। তারপর বৃষ্টি হচ্ছে প্রায় দিনই। আশ্বিনের এই বৃষ্টি চলতে পারে আরও কয়েক দিন। আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহার দিনেও হতে পারে মেঘ-বৃষ্টি। তবে আগামী শনি-রোববার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র এ পূর্বাভাস দিয়েছে। গত কয়েক দিনের মতো গতকাল বুধবারও ঢাকাসহ দেশের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি হয়েছে। সারা দিনই আকাশ ছিল মেঘে আচ্ছন্ন। আজ বৃহস্পতিবারও কম-বেশি এ রকমই আবহাওয়া থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ্ আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, হালকা-পাতলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ঈদ উদ্যাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে, এমন কোনো দুর্যোগ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
আবহাওয়ার সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ-সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু যথেষ্ট সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এই মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিত অংশ বিস্তৃত রয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাংশ হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত। এই অবস্থায় দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় আজ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া কোনো কোনো স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা আছে। কাল শুক্রবারও বৃষ্টিপাতের একই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি কমে আসবে বলে আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের সঙ্গে থাকতে পারে অস্থায়ী দমকা হাওয়াও। স্থলভাগে এই হাওয়ার গতি হবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। আর নদীবন্দর এলাকাগুলোতে এই হাওয়ার গতি ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী শনি-রোববার থেকে বৃষ্টি-বাতাসের প্রবণতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সমুদ্রে লঘুচাপ বা এই ধরনের কোনো কিছু সৃষ্টি না হলে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃষ্টিপাত কমবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র বলেছে, অব্যাহতভাবে মেঘ-বৃষ্টি থাকায় চলতি সপ্তাহে দেশের ওপর প্রতিদিন গড়ে উজ্জ্বল সূর্যালোক ছিল চার ঘণ্টার মতো। আগামী সপ্তাহে তা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় উন্নীত হতে পারে।

কখন কোথায় ঈদ জামাত

২০১৯ সালে বৈদ্যুতিক গাড়ি আনবে অ্যাপল

কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনের বাজার ছাড়িয়ে এখন গাড়ির দিকে নজর দিয়েছে অ্যাপল ইনকরপোরেট। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, বেশ জোরেশোরে অ্যাপল তাদের কর্মী ও গবেষকদের নিয়ে মাঠে নেমেছে। ২০১৯ সালের মধ্যেই তারা এই প্রজেক্ট সবার সামনে নিয়ে আসতে চায়।
তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ খবর। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরো জানায়, ‘প্রজেক্ট টাইটান’ শিরোনামে এই প্রজেক্টকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রায় ৬০০ কর্মীকে এই প্রজেক্টের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আরো বেশ কিছু কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরা সবাই এখন নিরলসভাবে খেটে যাচ্ছে প্রজেক্ট টাইটানের জন্য। প্রাথমিকভাবে এই অ্যাপল কার ২০২০ সালে আসার কথা থাকলেও অ্যাপল চায়, আরো আগেই একে বাজারে নিয়ে আসতে।
এ ছাড়া অ্যাপল বিভিন্ন অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে তাদের ইলেকট্রিক কার তৈরির জন্য। তবে প্রতিষ্ঠানটির জন্য অন্য সব উদ্ভাবনের চেয়ে এই উদ্ভাবন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা। এর কারণ হিসেবে তারা জানাচ্ছে অটোমোবাইল সামগ্রী নির্মাণে অ্যাপলের অনভিজ্ঞতাকে। তবে এই বৈদ্যুতিক কার সম্পূর্ণভাবে স্বচালিত হতে যাচ্ছে না। যদিও অ্যাপল চালকবিহীন গাড়ি নির্মাণের দিকে বেশ আগ্রহী। তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও সে ধারণাকে কেন্দ্র করে। ২০১৯ সালে অ্যাপল কার আসলেই বাজারে আসতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় রয়েছে। তবে যা-ই হোক, অ্যাপলের এমন তোড়জোড় অ্যাপল-ভক্তদের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য যথেষ্ট। অবশ্য চার বছর এখনো অনেক লম্বা সময়। এ সময়ের মধ্যে অ্যাপল তাদের প্রজেক্ট নিয়ে আরো বেশি চমক হাজির করবে সবার সামনে, এমনটাই সবার আশা।

১২.৫ ইঞ্চি পর্দার ল্যাপটপ আনছে তোশিবা

ফোরকে রেজ্যুলেশন স্ক্রিনের নতুন একটি ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে তোশিবা। এই ল্যাপটপকে তারা বলছে আল্ট্রা এইচডি ফোরকে রেজ্যুলশন সমৃদ্ধ পৃথিবীর প্রথম ১২.৫ ইঞ্চি পর্দার ল্যাপটপ। হাইব্রিড এই ল্যাপটপের নাম রাখা হয়েছে স্যাটেলাইট র‍্যাডিয়াস ১২। এ খবর জানিয়েছে ম্যাশেবল ও দ্য ভার্জ।
এই ল্যাপটপে আছে ৩৮৪০x২১৬০ পিক্সেলের স্ক্রিন। স্ক্রিনটিতে রয়েছে আইপিএস প্যানেল এবং সার্টিফায়েড টেকনিকালার। এর মানে হচ্ছে এই স্ক্রিনে সর্বোচ্চ গুণগত মানের ছবি দেখা যাবে। সেই সঙ্গে ঝকঝকে স্ক্রিন তো রয়েছেই।  ষষ্ঠ জেনারেশনের ইন্টেল কোর প্রসেসরে চলবে ল্যাপটপটি। এতে থাকবে ৮ জিবি র‍্যাম। সে কারণে অনেক ভালো পারফর্মেন্স দিতে পারবে ল্যাপটপটি। সেই সঙ্গে অনেকক্ষণ চার্জ ধরে রাখতে পারবে তোশিবার এই ল্যাপটপ। তবে তোশিবা এখনো এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। 
ম্যাশেবল জানিয়েছে, এতে থাকছে অ্যালুমিনিয়ামের কেসিং, বেশ হালকাপাতলা এই ল্যাপটপ মাত্র ০.৬ ইঞ্চি পাতলা হবে এবং ওজন হবে ২.৯ পাউন্ড।  দ্য ভার্জ জানিয়েছে, এই ল্যাপটপে ব্যবহার করা হয়েছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ হ্যালো প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মুখ কিংবা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ল্যাপটপে লগইন করতে পারবে। তোশিবার দাবি তাদের এইচডি ওয়েবক্যাম ‘উইন্ডোজ হ্যালো’ ব্যবহারের উপযোগী।  এ বছরের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছাড়া হবে তোশিবা স্যাটেলাইট রেডিয়াস ১২ ল্যাপটপটি।  তবে এর দাম কত হতে পারে সে সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

ফ্রিল্যান্সিং শিখুন কভার লেটার তৈরি, সাক্ষাৎকারে করণীয়

আলামিন চৌধুরী ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন ২০০৪ সালে। বর্তমানে তিনি বেসিসের অঙ্গসংগঠন বিআইটিএমের প্র্যাকটিক্যাল এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের লিড ট্রেইনার হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় ইন্টারনেট মার্কেটিং প্রফেশনাল। বিশ্বের বিভিন্ন ইন্টারনেট মার্কেটিং ফোরামের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তিনি।
  আলামিন চৌধুরী ২০১১ সালে বেসিস আয়োজিত ‘বেস্ট ফ্রিল্যান্সার অ্যাওয়া‍র্ড’ প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে ২০১৩-১৪ বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়া‍র্ড প্রোগ্রামের একজন জুরি বোর্ড মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি) কর্মসূচির প্র্যাকটিক্যাল এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং—এ তিনটি ট্র্যাকের ট্রেনিং কার্যক্রম তাঁর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, নেদার‍ল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। এনটিভি অনলাইনের পাঠকের জন্য ফ্রিল্যান্সিংসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রতি সোমবার নিয়মিত লিখছেন আলামিন চৌধুরী। গত পর্বে আমি আমার লেখায় একটি উদাহরণের মাধ্যমে দেখিয়েছি যে, একটি কভার লেটার কেমন হয় এবং এর প্রতিটি অংশের বর্ণনাও দিয়েছি। আজ আমি আপনাদের একটি মানসম্মত কভার লেটার কীভাবে লিখতে হয় এবং কী কী বিষয় লক্ষ রাখতে হয়, এ বিষয়ে জানাব। আসুন, আমরা এবার জানি কভার লেটার কী এবং একটি কভার লেটার লেখার সময় আপনাকে কোন বিষয়গুলোয় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কভার লেটার কভার লেটার বলতে আমরা সাধারণত যেকোনো প্রকার জব অ্যাপ্লিকেশন লেটারকে বুঝি, যেখানে আপনি নিজেকে তুলে ধরেন, কাজের চাহিদা অনুযায়ী আপনার দক্ষতা কতটুকু এটি বর্ণনা করেন, আর যদি আপনার কোনো অভিজ্ঞতা থাকে সেটি বর্ণনা করে থাকেন এবং সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট বা বায়ারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করার সুযোগ চেয়ে অনুরোধ জানান। আপওয়ার্কেও এর ব্যতিক্রম নয়। এখানে আপনি কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজ পাওয়ার জন্য আপনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বর্ণনা দিয়ে ক্লায়েন্টের কাছে যে আবেদনপত্রটি প্রেরণ করে থাকেন, তাকেই কভার লেটার বলে। সাধারণত কভার লেটারটি প্রথমে ওয়ার্ড ফাইলে লিখে চেক করে নিতে পারেন কোনো স্পেলিং বা গ্রামাটিক্যাল মিসটেক আছে কি না। যদি এ ধরনের কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে লেটারটি কপি করুন এবং আপওয়ার্কে পেস্ট করুন। আপওয়ার্কের হেল্প সেন্টারের মতামত অনুয়ায়ী, কভার লেটার ২০০ থেকে ২৫০ ওয়ার্ডের মধ্যে হলে ভালো।   কাজের বর্ণনা আপনাকে যেকোনো কাজে বিড করার আগে এই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে হবে। কাজের প্রধান প্রধান কি-ওয়ার্ডগুলো বের করতে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে, ক্লায়েন্ট কোন বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। আপনাকেও ওই বিষয়গুলো মাথায় রেখে কভার লেটার লিখতে হবে। অনেক সময় ক্লায়েন্ট আপনাকে পরীক্ষা করার জন্য বর্ণনার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট শব্দ বা শব্দগুচ্ছকে আপনার কভার লেটারের মধ্যে ব্যাখ্যা করতে বলে। এটা দ্বারা সে বুঝতে চেষ্টা করে, আপনি যে কাজের জন্য বিড করছেন তার বর্ণনাটি ঠিকমতো পড়েছেন কি না। ক্লায়েন্ট সম্পর্কে ধারণা কাজে বিড করার আগে আপনাকে ক্লায়েন্টের সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা নিতে হবে। যেমন ধরুন, ক্লায়েন্টের নাম, তার পূর্বের কাজগুলো সম্পর্কে জানা, ক্লায়েন্ট সাধারণত কেমন রেটে কাজ করিয়ে থাকে, ক্লায়েন্টের টাইমজোন ইত্যাদি। কারণ, আপনি যদি ক্লায়েন্টের নাম উল্লেখ করে জবে বিড করেন, তাহলে সে বুঝতে পারে যে আপনি তার কাজটিকে গুরুত্বসহকারে দেখেছেন এবং তার সম্পর্কেও রিসার্চ করেছেন। অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অনেক সময় ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজের সম্পর্কে কভার লেটারের বাইরে কিছু প্রশ্ন করে থাকে এবং আপনাকে কভার লেটার শুরু করার আগেই এ প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে গুছিয়ে নিতে হবে। এর মাধ্যমে ক্লায়েন্ট আপনার কাজের ধরন সম্পর্কে জানতে পারে বা আপনি এ কাজ করতে পারবেন কি না, এ সম্পর্কে ধারণা লাভ করে থাকে। কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রমাণ দেওয়া আপনি যে কাজের জন্য বিড করছেন, এ ধরনের কোনো কাজের যদি আপনার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে থাকে, তাহলে এটি আপনাকে নতুন কাজ পেতে অনেক সাহায্য করে। কারণ, ক্লায়েন্ট যখন দেখে যে আপনি এ ধরনের কাজ আগেও করেছেন, তখন সে আপনাকে কাজটি দিতে ভরসা পায়। কভার লেটার দেওয়ার সময় আপনি চাইলে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা বা কাজ সম্পর্কিত কোনো ফাইল সংযুক্ত করে দিতে পারেন। কাজের প্রাইস বা রেট নির্ধারণ আপনাকে আপনার কাজের নির্দিষ্ট প্রাইস বা ঘণ্টাপ্রতি রেট কভার লেটারের ফরমে উল্লেখ করে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট পূর্বে এ ধরনের কাজ কত রেটে করিয়েছেন, তা আপনি দেখে নিতে পারেন। তাহলে আপনি কত রেটে বিড করতে পারেন, সে সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। কভার লেটার লেখার নিয়ম কভার লেটারের শুরুতে আপনি ক্লায়েন্টের নাম ধরে সম্বোধন করতে পারেন, যদি আপনি তার পূর্বের কাজগুলো থেকে তার নাম জেনে থাকেন। এর পর তার টাইমজোন অনুযায়ী তাকে শুভেচ্ছা জানান। যেমন : সকাল হলে ‘গুড মর্নিং’। কভার লেটারের শুরুতেই চেষ্টা করবেন কাজটি আপনি কীভাবে সম্পন্ন করবেন, এ প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে। কখনই প্রথমে আপনি আপনার নিজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হবেন না। কারণ, ক্লায়েন্টের কাছে যখন আপনার এই অফার লেটার যায়, তখন সে পুরো অংশটা দেখতে পারে না। তাই আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যেন প্রথম দুই লাইনের মধ্যেই আপনি এমন কিছু লিখবেন, যা ক্লায়েন্ট পড়ার পর আপনার পুরো লেখাটা পড়ার আগ্রহ পায়। সুতরাং আপনাকে চেষ্টা করতে হবে এই অল্প কথার মধ্যেই কাজের প্রক্রিয়াটি সহজে বর্ণনা করতে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ক্লায়েন্টকে আপনার কাজ করার সময় সম্পর্কে জানান। যেমন : আপনি প্রতি সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা কাজ করবেন। এটি উল্লেখ করলে ক্লায়েন্ট একটি ধারণা পায় যে কত দিনে আপনি কাজটি করতে পারবেন বা সর্বোচ্চ কত সময় লাগতে পারে কাজটি শেষ করতে। এ ছাড়া আপনি এটি উল্লেখ করতে পারেন যে আপনি প্রতি সপ্তাহে তাকে কাজের একটি আপডেট রিপোর্ট দেবেন। যেখানে আপনি এক সপ্তাহে শেষ করা কাজের বর্ণনা দেবেন। এর পরে আপনি এই কাজ করার জন্য আপনার কতটুকু অভিজ্ঞতা আছে, আপনার দক্ষতা কোন বিষয়গুলোতে বেশি এ বিষয়গুলো এখানে তুলে ধরতে পারেন। কখনই একই কভার লেটার কপি করে বারবার সেটি ব্যবহার করবেন না। তাহলে এটি স্প্যাম হিসেবে গণ্য হবে। সব সময়ই চেষ্টা করবেন প্রতিটি জবের জন্য ইউনিক কভার লেটার লিখতে। মূল কথা, এই কভার লেটারের মাধ্যমেই আপনার ক্লায়েন্টকে বোঝাতে হবে যে, আপনি কাজটি সম্পর্কে পুরোপুরি বুঝতে পেরেছেন এবং আপনি কাজটি অনেক ভালোভাবে সম্পন্ন করে দিতে সক্ষম। আর আপনি যে তার এই কাজটি করতে কতটা আগ্রহী, এটি বোঝানোর মাধ্যমে কভার লেটারটি শেষ করুন। তাহলেই আপনি ইন্টারভিউর জন্য আশা করতে পারেন। একটি সাক্ষাৎকার সফল করতে করণীয় বিষয়গুলো আপনাকে যদি প্রাথমিকভাবে ক্লায়েন্ট নির্বাচন করেন, তাহলে সে আপনাকে ইন্টারভিউ অফার করবে। এই ইন্টারভিউ হতে পারে আপওয়ার্ক মেসেজের মাধ্যমে বা হতে পারে Skype মেসেঞ্জারের মাধ্যমে। তবে ইন্টারভিউ যেখানেই হোক না কেন, আপনাকে যেদিকে লক্ষ রাখতে হবে সে বিষয়গুলো হচ্ছে—
  • ক্লায়েন্টের টাইমজোন অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। ক্লায়েন্ট তার সময়মতো আপনাকে ইন্টারভিউর জন্য কল করবে এবং আপনাকে ওই সময়েই তার সঙ্গে ইন্টারভিউতে আসতে হবে। তা না হলে আপনি কাজটি হারাবেন।
  • ইন্টারভিউর আগে ক্লায়েন্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিন এবং তার বিজনেস বা প্রোডাক্ট সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা রাখুন। এটি আপনাকে ইন্টারভিউতে অনেকখানি এগিয়ে রাখবে।
  • যখন আপনার ক্লায়েন্ট ইন্টারভিউ নেবে, তখন তাকে সম্মান জানান। তার সঙ্গে ভদ্রতার সঙ্গে কথা বলুন এবং প্রফেশনালিজম বজায় রাখুন।
  • ইন্টারভিউর সময় সত্য কথা বলবেন। কখনই কোনো কারণে মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না। ক্লায়েন্টের সব জিজ্ঞাসার সঠিক উত্তর দিতে চেষ্টা করুন।
  • সব সময় ইন্টারভিউর শেষে পজিটিভ কথা বলবেন। ক্লায়েন্টের কাছে কাজের ডেটলাইন সম্পর্কে জেনে নিন এবং সে অনুযায়ী একটি কর্মপরিকল্পনা তাকে দিন। ইন্টারভিউ শেষ হলে ক্লায়েন্টকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না।
  • আপনি ইন্টারভিউ শেষ হওয়ার পর ক্লায়েন্টের সঙ্গে নির্ধারিত কথা অনুযায়ী কাজ শুরু করুন। তবে আপনাকে হায়ারিং লেটার পাঠানোর পরে আপনি সম্পূর্ণভাবে কাজ শুরু করুন। কোনো কিছু জানতে হলে আপওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লায়েন্টকে মেসেজ করুন।
  • সব সময় চেষ্টা করবেন ক্লায়েন্টকে কাজের আপডেট জানাতে। আপনি প্রতি সপ্তাহে তাকে আপনার কাজের একটি আপডেট রিপোর্ট দিন। এতে করে ক্লায়েন্ট বুঝতে পারবে, আপনি কীভাবে তার কাজটি করছেন এবং কাজটি ঠিকমতো সম্পন্ন হচ্ছে কি না।
এভাবে কিছু পূর্বপ্রস্তুতি এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি একটি ইন্টারভিউ সফলভাবে শেষ করতে পারবেন। সব সময় চেষ্টা করবেন, কাজের ডেটলাইনের আগেই কাজটি সাবমিট করতে। এবং কাজটি সুন্দর একটি রিপোর্ট আকারে আপনার ক্লায়েন্টের সামনে উপস্থাপন করুন (রিপোর্টটি হতে পারে একটি ওয়ার্ড বা এক্সেল ফাইল অথবা একটি পিডিএফ ফাইল)। কাজ শেষ হয়ে গেলেও ক্লায়েন্টের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। এতে করে ভবিষ্যতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।  

ক্যানসার নিরাময়ে কার্যকর হতে পারে লঙ্কার অণু!

মরিচের গুণ শুধু স্বাদেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের শরীরে নানাবিধ উপকারে মরিচ কার্যকর ভূমিকা রাখে। সবজি ছাড়াও ভেষজ হিসেবে মরিচের ব্যবহার সুপ্রাচীন। প্রকৃতিতে এই যে বিচিত্র রং, গন্ধ কিংবা স্বাদ, এর সবই অণুর জন্য। বিভিন্ন স্বাদের জন্য নানা প্রকার অণু দায়ী। মরিচে থাকে ক্যাপসাইসিন নামে একটি অণু। সে অণুর জন্যই প্রধানত মরিচ স্বাদে ঝাল।
মরিচের অণু ক্যাপসাইসিন, ক্যানসার রোধেও হতে পারে কার্যকর। সম্প্রতি এক গবেষণায় সে বিষয়ে আরো এক ধাপ প্রমাণ মেলেছে। প্রোস্টেট ক্যানসার (Prostate cancer) নিরাময়ে, ক্যাপসাইসিন অণুর প্রাথমিক ফলাফল এক দশক ধরেই জানা বিজ্ঞানীদের। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে খুবই আশাব্যঞ্জক ফলাফলও পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু এই অণু কীভাবে সুস্থ কোষ (leaving healthy cells) বিনষ্ট না করে, নির্দিষ্টভাবে ক্যানসার কোষগুলোকে (Cancer Cells) ধ্বংস করে, সেটা নিয়ে অনেক দিন ধরেই ছিল বিতর্ক। সম্প্রতি ভারতের একদল রসায়নবিদের গবেষণায় সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ফলাফল পাওয়া গেছে। গবেষণার সে ফলাফল প্রকাশ হয়েছে জার্নাল অব ফিজিক্যাল কেমেস্ট্রি-বি (Journal of Physical Chemistry B) নামে আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির (ACS) জার্নালে। গত সপ্তাহে খবরটি রসায়নের জগতে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, আরো গভীরভাবে এই ক্রিয়াকৌশল (Mechanism) জানলে, এই অণু থেরাপিতে প্রয়োগ করা যাবে শিগগিরই। 
অণুরা যখন মানুষের জন্য খুব উপকারী হয়ে ওঠে, তখন অণুদের প্রতি এক অন্য রকম মমতা জাগে। ক্যাপসাইসিন অণু যদি প্রোস্টেট ক্যানসার নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে, তাহলে এই অণু হয়ে যাবে একুশ শতকের এক অনন্য অণু। বেঁচে যাবে কত কত প্রাণ! অণু তথা রসায়নের সবচেয়ে সুন্দর এবং শক্তিশালী দিক এটাই।   সূত্র : J. Phys. Chem. B, 2015, 119(36), 12086-12093 লেখক : গবেষক, জৈব রসায়ন, স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেন। 

২০১৯ সালে বৈদ্যুতিক গাড়ি আনবে অ্যাপল

কম্পিউটার কিংবা স্মার্টফোনের বাজার ছাড়িয়ে এখন গাড়ির দিকে নজর দিয়েছে অ্যাপল ইনকরপোরেট। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, বেশ জোরেশোরে অ্যাপল তাদের কর্মী ও গবেষকদের নিয়ে মাঠে নেমেছে। ২০১৯ সালের মধ্যেই তারা এই প্রজেক্ট সবার সামনে নিয়ে আসতে চায়।
তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ খবর। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরো জানায়, ‘প্রজেক্ট টাইটান’ শিরোনামে এই প্রজেক্টকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রায় ৬০০ কর্মীকে এই প্রজেক্টের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে আরো বেশ কিছু কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরা সবাই এখন নিরলসভাবে খেটে যাচ্ছে প্রজেক্ট টাইটানের জন্য। প্রাথমিকভাবে এই অ্যাপল কার ২০২০ সালে আসার কথা থাকলেও অ্যাপল চায়, আরো আগেই একে বাজারে নিয়ে আসতে।
এ ছাড়া অ্যাপল বিভিন্ন অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে তাদের ইলেকট্রিক কার তৈরির জন্য। তবে প্রতিষ্ঠানটির জন্য অন্য সব উদ্ভাবনের চেয়ে এই উদ্ভাবন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে বলে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা। এর কারণ হিসেবে তারা জানাচ্ছে অটোমোবাইল সামগ্রী নির্মাণে অ্যাপলের অনভিজ্ঞতাকে। তবে এই বৈদ্যুতিক কার সম্পূর্ণভাবে স্বচালিত হতে যাচ্ছে না। যদিও অ্যাপল চালকবিহীন গাড়ি নির্মাণের দিকে বেশ আগ্রহী। তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও সে ধারণাকে কেন্দ্র করে। ২০১৯ সালে অ্যাপল কার আসলেই বাজারে আসতে পারবে কি না, তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় রয়েছে। তবে যা-ই হোক, অ্যাপলের এমন তোড়জোড় অ্যাপল-ভক্তদের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য যথেষ্ট। অবশ্য চার বছর এখনো অনেক লম্বা সময়। এ সময়ের মধ্যে অ্যাপল তাদের প্রজেক্ট নিয়ে আরো বেশি চমক হাজির করবে সবার সামনে, এমনটাই সবার আশা।

পোষা কুকুর মারতে ফেসবুকে পোস্ট!

ফেসবুক মানুষের অনেক কাজেই আসে। অন্যের কাছে কোনো ব্যাপারে সাহায্য চেয়ে প্রায়ই পোস্ট করতে দেখা যায় ব্যবহারকারীদের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এক নারীর কাণ্ড যেন সবকিছুকে হার মানাল। সেই নারী নিজে ঠিকমতো যত্ন-আত্তি করতে পারছেন না দেখে নিজের কুকুরকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর মেরে ফেলার জন্য মানুষ খুঁজতে শেষমেশ ফেসবুকে পোস্ট করে বসেছেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন দৈনিক ইউএস টুডে।
‘আমার কুকুরকে গুলি করার জন্য আমার কাউকে দরকার। এই কাজ করার মতো হৃদয় এখানে কারোর নেই। তবে আমরা গুলি করার জন্য বন্দুক দেবো।’ গত বৃহস্পতিবার এ রকম একটি পোস্ট আসে টেক্সাসের ট্রুপে বসবাস করা এক নারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর পর যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের পশুপ্রেমীর মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায় এটি নিয়ে। সিন্নামন নামের তিন বছর বয়সী কুকুরটি সেইন্ট বার্নার্ড এবং ইংলিশ বুলডগের শঙ্কর।
তবে কুকুরটিকে আর শেষ পর্যন্ত খুন করতে হয়নি। অ্যানিমেল কন্ট্রোল অফিসাররা কুকুরটিকে রক্ষা করতে গেলে সেই নারী তাদের হাতে তুলে দেন কুকুরটি। রক্ষাকারী কর্মকর্তারাই জানান, কুকুরটিকে তার মালিক মারতে চেয়েছিল, কারণ মহিলাটি কুকুরটির সঠিক যত্ন নিতে পারছিলেন না এবং সিন্নামনকে আবর্জনার মধ্যে থাকতে হতো সব সময়। পুরো ঘটনার ব্যাপারে অ্যানিমেল শেল্টার কো-অর্ডিনেটর ন্যানেট মস বলেন, ‘এটি বিস্ময়কর! আমি সারা দিন কুকুরের সঙ্গে কাটাই এবং এরাই আমার জীবন। যখন সে আমার দরজা দিয়ে হেঁটে গেল, আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছিল। সে খুবই সুন্দর একটি কুকুর। কীভাবে কারো পক্ষে এত সুন্দর একটি কুকুরকে গুলি করা সম্ভব?’ সিন্নামনের দেখভালের জন্য আপাতত একটি পালক পরিবারের কাছে রাখা হয়েছে তার নতুন মনিব খুঁজে পাওয়ার আগ পর্যন্ত। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ওই মহিলার বিরুদ্ধে কোনোরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, যেহেতু সে অ্যানিমেল কন্ট্রোলের শরণাপন্ন হয়েছে।

পানি বিশুদ্ধ করবে বইয়ের পাতা


রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

অনলাইনে বিক্রি হবে ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখ’?

কোরবানির ঈদের আগে এখন বিক্রির আশায় অনলাইন ‘কুইকারে’ তোলা হয়েছে ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখ’দের! শুনে ভড়কে গেলেন নাকি? তাহলে আরো জেনে রাখুন, নাম এবং ওজন হিসেবে ধার্য হয়েছে তাঁদের দামও! যেমন ধরুন, ‘শাহরুখের’ ওজন ৮৮ কেজি, দাম ৩৮ হাজার টাকা। ৮৪ কেজি ওজনের ‘আমির’ মিলবে ৩৫ হাজার টাকায়। আবার ৭২ কেজির ‘সালমান’ বিকোবে ৩১ হাজার টাকায়। অবাক হওয়ার কিছু নেই। আসলে ভারতের কোরবানি ঈদের বাজারে এখন এসব সেলিব্রেটি নামধারী ‘সিক্স প্যাক’ খাসির বিক্রি শুরু হয়েছে অনলাইনের মাধ্যমে।
চলছে ক্রেতার মধ্যে দরকষাকষিও। কোরবানির ঈদের বাজারে জনপ্রিয় এসব সেলেবের নাম দিয়ে খাসি বিক্রির ব্যবসা করছেন ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের ধানবাদের দুই ব্যবসায়ী কাঞ্চন দে ও বাদল দত্ত। ধানবাদ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের ওই দুই ছাত্র পড়াশোনা শেষ করে সরাসরি পশুপালন এবং পশু বিক্রির পেশায় নেমে পড়েন। ফলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তাঁদের পালিত খাসিগুলোকে খাইয়ে-দাইয়ে মোটাতাজা করেও ফেলেছেন তাঁরা। কিন্তু মামুলি একটা খাসি বিক্রি করলে তো আর প্রচারের আলো কেড়ে নেওয়া যায় না! কাজেই একেবারে বলিউডের সেলেবদের নাম রেখে তাঁদের পোষ্য খাসিগুলোকে এখন অনলাইনে বিক্রির আশায় ছেড়েছেন তাঁরা। কয়েক বছর ধরে কোরবানির ঈদে পশু বিক্রি করে আসছেন কাঞ্চন ও বাদল। ধানবাদের হিরাপুরের বাসিন্দা এ দুই ব্যবসায়ী কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এবারে শুধু ধানবাদের বাজারকেই বেছে নেননি, অনলাইনের মাধ্যমে সেলিব্রেটি নামধারী খাসিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছেন মূলত বিশ্ববাজারে।
বুদ্ধিটা আসলে কাঞ্চন দের। তাঁর কথা, ‘এখন তো অনলাইন মার্কেটের যুগ। অনলাইনে আসবাবপত্র, খাবার-দাবার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী থেকে কাঁচা সবজি—সবই বিকোচ্ছে। তাহলে আমরাও বা পিছিয়ে থাকি কেন? আর কোরবানির ঈদই তো পশু বিক্রির সেরা সময়। যে কারণে কোরবানির ঈদে ব্যবসায় মুনাফা ঘরে তুলতে অনলাইনের সাহায্য নিয়েছি আমরা।’ আপাতত অনলাইনে বিক্রির জন্য ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখ’দেরই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। তবে ওই তিন সুপারস্টারকে ছোট করার জন্য তাঁরা এ কাজ করেননি বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। কাঞ্চন বলেন, “আমরা ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখ’-এর অন্ধ ভক্ত। শুধুই তাঁদের নামকে ব্যবহার করে ব্যবসায় মুনাফা ঘরে তুলতে চেয়েছি। অবশ্য ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখে’র মাধ্যমে মুনাফা এখনো ঘরে না এলেও প্রচারের তুঙ্গে রয়েছেন তাঁরা। বাদল দত্ত জানিয়েছেন, অনলাইনে তিনটে খাসির একটাও বিক্রি না হলেও প্রচুর পরিমাণে ফোন পাচ্ছি আমরা। আর ফোনে ক্রেতাদের জানিয়ে দিচ্ছি, কোরবানির ঈদে খাসির প্রয়োজন হলে চলে আসুন আমাদের কাছে। ফলে আর কিছু না হোক, আমাদের ব্যবসার পরিধি তো বাড়ছে। সেটাই বা কম কিসের? তবে কোরবানির ঈদের এখনো বাকি রয়েছে বেশ কয়েক দিন। তার মধ্যে ‘আমির’, ‘সালমান’, ‘শাহরুখ’রা অনলাইনে বিক্রি হয়ে যাবে বলে আশাবাদী কাঞ্চন ও বাদল। জানালেন, এবারে তিনটে খাসি বিক্রি হলে আগামী বছর আরো বেশি খাসিকে নতুন নাম দিয়ে অনলাইনে তুলে দেবেন তাঁরা। 

৯০ কেজির আমির!

সাধে কি আর তাঁকে ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ বলা হয়? যখন যেটা করেন, তা একেবারে নিখুঁতভাবে করতেই ভালোবাসেন তিনি। তাই তো অন্যদের থেকে বরাবর কিছুটা হলেও আলাদা তিনি।
ছবিতে চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে আমূল বদলে ফেলতে কখনই পিছপা হন না বলিউডের অন্যতম খান, আমির খান। বারবার তিনি সেই নজির রেখেছেন। সম্প্রতি ‘দঙ্গল’ নামে এক সিনেমায় অভিনয় করার প্রয়োজনে ফের বদলে গেছেন আমির খান। ‘দঙ্গল’ ছবিতে পেশাদার এক কুস্তিগিরের ভূমিকায় অভিনয় করতে হবে তাঁকে। তাই তো এখন চরিত্রের প্রয়োজনে রীতিমতো মোটাসোটা হচ্ছেন আমির খান। তাগড়াই মার্কা চেহারা করার জন্য খাওয়া-দাওয়াই নাকি বেশ বাড়িয়ে দিয়েছেন আমির। এখন তাঁর ওজন ৯০ কেজি।
সে সঙ্গে গালভর্তি রেখেছেন পাকা দাড়ি। বেশ ভারিক্কি চেহারার আমির খানকে দেখলে এখন আর চেনাই যাচ্ছে না। ‘দঙ্গল’ সিনেমায় কুস্তিগিরের চরিত্রে অভিনয় করার জন্য আমির এরই মধ্যে নিজের চরিত্র, কথাবার্তা, এমনকি চালচলনেও বেশ পরিবর্তন এনে ফেলেছেন। কুস্তিগিরদের মতো বেশ একটা ঢিসুমঢিসুম ভাব যেন সব সময়ই তাঁর চেহারায় জেল্লা দিচ্ছে। আমিরের এবারের টার্গেট, ‘দঙ্গল’ ছবির মাধ্যমে ফের বলিউডে একটা ইতিহাস তৈরি করা। বারবার চরিত্রের প্রয়োজনে আমির নিজেকে বদলে ফেলেছেন। ১৯৯৫ সালে ‘বাজি’ ছবিতে তিনি মেয়ের সাজে সেজেছিলেন। ২০০৫ সালে ‘মঙ্গল পান্ডে’ ছবির জন্য রেখেছিলেন বড় একখানা গোঁফ। ‘গজনি’ ছবির জন্য শারীরিক কসরত কম করেননি। আবার ‘পিকে’ ছবির সময় নিজের ওজন অনেকটাই কমিয়েও ফেলেছিলেন তিনি। আসলে ছবির প্রয়োজনে কোনো কিছুই করতে পিছপা হন না আমির। শোনা যাচ্ছে, ‘দঙ্গল’ ছবিতে অভিনয় করার জন্য ওজন ৯০ কেজি বাড়িয়ে নাকি এখন শ্বাসকষ্টেও ভুগতে হচ্ছে তাঁকে। সে সঙ্গে নাকি সাবলীলভাবে হাঁটাচলাও করতে পারছেন না তিনি। তবে তাই বলে দমে যাওয়ার পাত্র নন তিনি। সবকিছু সহ্য করে নিখুঁত চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। কুস্তিগির মহাবীর ফোগাটের জীবন নিয়ে ‘দঙ্গল’ ছবিটি নির্মিত হচ্ছে। আর মহাবীর ফোগাটকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে এই ৫০ বছর বয়সেও ৩০ কেজি ওজন বাড়িয়ে ফেললেন আমির খান।

ফেসবুকেই পড়া যাবে খবর

সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা আমাদের প্রতিদিনের জীবনধারাকে যেমন প্রভাবিত করেছে তেমনি পাল্টে দিয়েছে আমাদের জীবনযাত্রার ধরন। প্রায় দেড় শ কোটি ব্যবহারকারী আছে ফেসবুকে।
অনলাইনের পাশাপাশি স্মার্টফোন ডিভাইসগুলোতেও রাজত্ব করছে ফেসবুক। সংবাদ পাওয়ার সূত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে এই মাধ্যম। পৃথিবী বিখ্যাত সব গণমাধ্যমের রয়েছে নিজস্ব ফেসবুক পেজ। তবে গত কয়েক মাস ধরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অন্তত ছয়টি বড় সংবাদ মাধ্যমের সাথে আলোচনা করেছে, যেন ফেসবুকেই খবর পড়ার ব্যবস্থা করা যায়। এসব আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকজন নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ফেসবুকে খবর পড়া যাবে। এজন্য ফেসবুক থেকে লিংক পেয়ে অন্য কোনো ওয়েবসাইটে আর যেতে হবে না।
নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে আরো বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নিউইয়র্ক টাইমস, বাজফিড ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক যোগ দিতে পারে ফেসবুকের সাথে। হাফিংটন পোস্ট এবং ব্যবসা ও অর্থনীতি বিষয়ক ওয়েবসাইট কোয়ার্টজের সাথে আলোচনা করেছে ফেসবুকের কর্তাব্যক্তিরা। তবে এ ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি ফেসবুক বা গণমাধ্যমগুলোর কর্তৃপক্ষ। সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি প্রকাশকদের সাথেও বৈঠক করছে ফেসবুক। যাতে নিউজফিডের মতো করে বইয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় পাঠকদের জন্য বা ফেসবুকেই বই পড়ার সুবিধা পাওয়া যায়। ফেসবুক থেকে লিংক পেয়ে আরেকটি ওয়েবসাইটে যেতে গড়ে ৮ সেকেন্ড সময় লাগে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের মতে, এটা দীর্ঘ সময়। বিশেষ করে মোবাইল ডিভাইস দিয়ে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের জন্য তো অবশ্যই অনেক সময়ের ব্যাপার। এর বদলে যদি ফেসবুকেই পুরো সংবাদটা পড়ে ফেলা যায় তাহলে ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচবে, এর ফলে ব্যবহারকারীরা আরো বেশি সময় ফেসবুকে কাটাবে। এর আগে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ ধরে রাখার জন্য ফেসবুকে ভিডিও দেখার ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। এতে ভালো সাড়া পায় তারা। ব্যবহারকারীরা যেমন ফেসবুকে বেশি সময় কাটাতে থাকে তেমনি বিজ্ঞাপনদাতারাও ফেসবুকের ব্যাপারে নতুন করে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

যে সাতটি বড় পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

প্রতিদিনই বাড়ছে ফেসবুকের ব্যবহারকারী। সে সঙ্গে বাড়ছে ফেসবুকের পরিসর। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু যোগ হচ্ছে ফেসবুকে। ব্যবহারকারীদের আরো ভালো অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য বেশি সুযোগ দিতে কাজ করে যাচ্ছেন ফেসবুকের প্রকৌশলীরা। ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ প্রতিষ্ঠানটির ডেভেলপার সম্মেলনে এমন সাতটি বড় পরিবর্তনের কথা বলেছেন, যেগুলো অচিরেই হাতে পেতে যাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। সিএনএন মানিতে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে এমন খবর পাওয়া গেল।
১. ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও ইউটিউবে চালু হয়ে গেছে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও। গুগল ম্যাপের স্ট্রিট ভিউতেও রয়েছে এই প্রযুক্তি। পর্দায় ক্লিক করে বা ড্র্যাগ করে আপনি যেকোনো দিক থেকে এসব ভিডিও দেখতে পারবেন। এ প্রযুক্তি চলে আসবে ফেসবুকেও। কারণ, মানুষ এখন প্রচুর ভিডিও শেয়ার করছে ফেসবুকে।
২. মেসেঞ্জারে কেনাকাটা ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কেনাকাটা তো আছেই, ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যাপারটা আরো সহজ করে দিতে চায়। সে কারণেই মেসেঞ্জারকে আপডেট করছে ফেসবুক। টাকা পাঠানোর অপশন চালু হয়ে গেছে। এখন ফেসবুক কাজ করছে ই-কমার্স সাইটগুলোর সঙ্গে মেসেঞ্জারকে সংযুক্ত করতে, যাতে ফেসবুকের মাধ্যমেই অনলাইনে কেনাকাটার কাজটা সারতে পারেন ব্যবহারকারীরা। ৩. অন্য অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার ফেসবুকের মেসেঞ্জারে অন্য অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মেসেজ পাঠানো যায় না। এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে চায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের মেসেঞ্জার টিমের প্রধান ডেভিড মার্কুস বলেন, ‘মেসেঞ্জারে অন্য অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে চাই।’ এতে ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশা করছেন মার্কুস। ৪. ভিডিও শেয়ারিং এখন ফেসবুকেই ভিডিও আপলোড ও শেয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে। ফেসবুকে আপলোড করা ভিডিও অন্যান্য সাইটেও শেয়ার করার অপশন চালু হচ্ছে সামনেই। ফলে আর ইউটিউবের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না ফেসবুক ব্যবহারকারীদের। ৫. খবর পড়া এবং কমেন্ট ফেসবুক ফিডেই সরাসরি খবর পড়ার অপশন চালু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে অনেক কাজ এগিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া কোনো নিউজ সাইটে যদি আপনি কমেন্ট করেন, সেটাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকের ওয়ালে চলে আসবে। অর্থাৎ যাঁরা খবর পড়েন এবং সাংবাদিক, তাঁদেরকে ফেসবুকের ওয়ালেই ধরে রাখতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। এ জন্য বাজফিড, এলিট ডেইলি, দ্য হাফিংটন পোস্ট এবং ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ফেসবুক। ৬. গ্যাজেট-বান্ধব ফেসবুককে আরো বেশি গ্যাজেট-বান্ধব করে তোলা হচ্ছে। নিত্যনতুন গ্যাজেট পণ্য আসছে বাজারে, যার সবগুলোই ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। যেকোনো গ্যাজেট থেকেই যেন ফেসবুক ব্যবহার করা যায়, সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফেসবুকের ডেভেলপার ও প্রকৌশলীরা। ৭. ব্যবহারকারীদের তথ্য ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে কোন অ্যাপটি ব্যবহার করছেন, কতজন ব্যবহার করছেন এমন সব তথ্য পাবেন ফেসবুকের ডেভেলপাররা। ফেসবুক নিয়ে নতুন নতুন অ্যাপ তৈরিতে ব্যস্ত তাঁরা। বাড়ছে এর চাহিদাও। তাই সব ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কাজে ব্যস্ত এখন ফেসবুক। অচিরেই নতুন নতুন আরো অ্যাপ নিয়ে আসছে সামাজিক যোগাযোগের এই জনপ্রিয় মাধ্যম।