জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় অভাবী মানুষকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে কিডনি
বেচাকেনা ব্যবসার দালাল সন্দেহে গতকাল বৃহস্পতিবার দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
তাঁরা হলেন উপজেলার বহুতি গ্রামের আবদুস সাত্তার (৪০) ও মিজানুর রহমান
(২১)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অভাবী মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কিডনি বেচাকেনার ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ২০১১ সালে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
পরে ওই চক্রের অন্তত পাঁচজন আবার কিডনি বেচাকেনার ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় গতকাল প্রথম আলোয় ‘একই দালালেরা আবার কিডনি বাণিজ্যে’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর ওই দুজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, গত নয় মাসে দালালেরা কালাইয়ের তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ১৫ জন দরিদ্র নারী-পুরুষের কিডনি বিক্রি করিয়েছেন। কিডনি বিক্রেতাদের ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও ভিসা করিয়ে ভারতে নিয়ে গিয়ে কিডনি আহরণ করা হচ্ছে। ঢাকায় নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিডনি আহরণের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে আরও ১০ জনকে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রথম আলোকে জানান, পুলিশের করা মামলায় সাত্তার কারাগারে ছিলেন। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। মিজানুর ওই চক্রের নতুন সদস্য কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অভাবী মানুষকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কিডনি বেচাকেনার ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ২০১১ সালে প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
পরে ওই চক্রের অন্তত পাঁচজন আবার কিডনি বেচাকেনার ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। এ ঘটনায় গতকাল প্রথম আলোয় ‘একই দালালেরা আবার কিডনি বাণিজ্যে’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর ওই দুজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, গত নয় মাসে দালালেরা কালাইয়ের তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ১৫ জন দরিদ্র নারী-পুরুষের কিডনি বিক্রি করিয়েছেন। কিডনি বিক্রেতাদের ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট ও ভিসা করিয়ে ভারতে নিয়ে গিয়ে কিডনি আহরণ করা হচ্ছে। ঢাকায় নিয়ে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিডনি আহরণের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে আরও ১০ জনকে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রথম আলোকে জানান, পুলিশের করা মামলায় সাত্তার কারাগারে ছিলেন। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। মিজানুর ওই চক্রের নতুন সদস্য কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন