ফেসবুক মানুষের অনেক কাজেই আসে। অন্যের কাছে কোনো ব্যাপারে সাহায্য চেয়ে
প্রায়ই পোস্ট করতে দেখা যায় ব্যবহারকারীদের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের
টেক্সাসের এক নারীর কাণ্ড যেন সবকিছুকে হার মানাল। সেই নারী নিজে ঠিকমতো
যত্ন-আত্তি করতে পারছেন না দেখে নিজের কুকুরকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন। আর মেরে ফেলার জন্য মানুষ খুঁজতে শেষমেশ ফেসবুকে পোস্ট করে
বসেছেন। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন দৈনিক ইউএস টুডে।
‘আমার কুকুরকে গুলি করার জন্য আমার কাউকে দরকার। এই কাজ করার মতো হৃদয় এখানে কারোর নেই। তবে আমরা গুলি করার জন্য বন্দুক দেবো।’ গত বৃহস্পতিবার এ রকম একটি পোস্ট আসে টেক্সাসের ট্রুপে বসবাস করা এক নারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর পর যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের পশুপ্রেমীর মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায় এটি নিয়ে। সিন্নামন নামের তিন বছর বয়সী কুকুরটি সেইন্ট বার্নার্ড এবং ইংলিশ বুলডগের শঙ্কর।
তবে কুকুরটিকে আর শেষ পর্যন্ত খুন করতে হয়নি। অ্যানিমেল কন্ট্রোল অফিসাররা
কুকুরটিকে রক্ষা করতে গেলে সেই নারী তাদের হাতে তুলে দেন কুকুরটি।
রক্ষাকারী কর্মকর্তারাই জানান, কুকুরটিকে তার মালিক মারতে চেয়েছিল, কারণ
মহিলাটি কুকুরটির সঠিক যত্ন নিতে পারছিলেন না এবং সিন্নামনকে আবর্জনার
মধ্যে থাকতে হতো সব সময়।
পুরো ঘটনার ব্যাপারে অ্যানিমেল শেল্টার কো-অর্ডিনেটর ন্যানেট মস বলেন, ‘এটি
বিস্ময়কর! আমি সারা দিন কুকুরের সঙ্গে কাটাই এবং এরাই আমার জীবন। যখন সে
আমার দরজা দিয়ে হেঁটে গেল, আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছিল। সে খুবই সুন্দর একটি
কুকুর। কীভাবে কারো পক্ষে এত সুন্দর একটি কুকুরকে গুলি করা সম্ভব?’
সিন্নামনের দেখভালের জন্য আপাতত একটি পালক পরিবারের কাছে রাখা হয়েছে তার
নতুন মনিব খুঁজে পাওয়ার আগ পর্যন্ত। তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ওই
মহিলার বিরুদ্ধে কোনোরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, যেহেতু সে অ্যানিমেল
কন্ট্রোলের শরণাপন্ন হয়েছে।
‘আমার কুকুরকে গুলি করার জন্য আমার কাউকে দরকার। এই কাজ করার মতো হৃদয় এখানে কারোর নেই। তবে আমরা গুলি করার জন্য বন্দুক দেবো।’ গত বৃহস্পতিবার এ রকম একটি পোস্ট আসে টেক্সাসের ট্রুপে বসবাস করা এক নারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর পর যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের পশুপ্রেমীর মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যায় এটি নিয়ে। সিন্নামন নামের তিন বছর বয়সী কুকুরটি সেইন্ট বার্নার্ড এবং ইংলিশ বুলডগের শঙ্কর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন