বৃষ্টি হতে পারে আরও কয়েক দিন
|
আপডেট: ০১:৪৮, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
বৃষ্টি শুরু হয়েছিল ভাদ্রের শেষে। মাঝখানে
কয়েক দিনের বিরতি। তারপর বৃষ্টি হচ্ছে প্রায় দিনই। আশ্বিনের এই বৃষ্টি চলতে
পারে আরও কয়েক দিন। আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহার দিনেও হতে পারে
মেঘ-বৃষ্টি। তবে আগামী শনি-রোববার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসার সম্ভাবনা
রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র এ পূর্বাভাস দিয়েছে। গত কয়েক দিনের মতো গতকাল বুধবারও ঢাকাসহ দেশের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি হয়েছে। সারা দিনই আকাশ ছিল মেঘে আচ্ছন্ন। আজ বৃহস্পতিবারও কম-বেশি এ রকমই আবহাওয়া থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ্ আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, হালকা-পাতলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ঈদ উদ্যাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে, এমন কোনো দুর্যোগ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
আবহাওয়ার সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ-সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু যথেষ্ট সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এই মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিত অংশ বিস্তৃত রয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাংশ হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত। এই অবস্থায় দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় আজ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া কোনো কোনো স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা আছে। কাল শুক্রবারও বৃষ্টিপাতের একই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি কমে আসবে বলে আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের সঙ্গে থাকতে পারে অস্থায়ী দমকা হাওয়াও। স্থলভাগে এই হাওয়ার গতি হবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। আর নদীবন্দর এলাকাগুলোতে এই হাওয়ার গতি ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী শনি-রোববার থেকে বৃষ্টি-বাতাসের প্রবণতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সমুদ্রে লঘুচাপ বা এই ধরনের কোনো কিছু সৃষ্টি না হলে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃষ্টিপাত কমবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র বলেছে, অব্যাহতভাবে মেঘ-বৃষ্টি থাকায় চলতি সপ্তাহে দেশের ওপর প্রতিদিন গড়ে উজ্জ্বল সূর্যালোক ছিল চার ঘণ্টার মতো। আগামী সপ্তাহে তা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় উন্নীত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র এ পূর্বাভাস দিয়েছে। গত কয়েক দিনের মতো গতকাল বুধবারও ঢাকাসহ দেশের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি হয়েছে। সারা দিনই আকাশ ছিল মেঘে আচ্ছন্ন। আজ বৃহস্পতিবারও কম-বেশি এ রকমই আবহাওয়া থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ্ আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, হালকা-পাতলা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ঈদ উদ্যাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে, এমন কোনো দুর্যোগ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
আবহাওয়ার সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ-সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু যথেষ্ট সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এই মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিত অংশ বিস্তৃত রয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাংশ হয়ে ভারতের আসাম পর্যন্ত। এই অবস্থায় দেশের সব বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় আজ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া কোনো কোনো স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা আছে। কাল শুক্রবারও বৃষ্টিপাতের একই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এখন প্রতিদিনই বৃষ্টি কমে আসবে বলে আবহাওয়াবিদেরা মনে করছেন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাতের সঙ্গে থাকতে পারে অস্থায়ী দমকা হাওয়াও। স্থলভাগে এই হাওয়ার গতি হবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার। আর নদীবন্দর এলাকাগুলোতে এই হাওয়ার গতি ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
কয়েকজন আবহাওয়াবিদ বলেন, আগামী শনি-রোববার থেকে বৃষ্টি-বাতাসের প্রবণতা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সমুদ্রে লঘুচাপ বা এই ধরনের কোনো কিছু সৃষ্টি না হলে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃষ্টিপাত কমবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র বলেছে, অব্যাহতভাবে মেঘ-বৃষ্টি থাকায় চলতি সপ্তাহে দেশের ওপর প্রতিদিন গড়ে উজ্জ্বল সূর্যালোক ছিল চার ঘণ্টার মতো। আগামী সপ্তাহে তা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টায় উন্নীত হতে পারে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন